Thursday, January 10, 2019
বগুড়ার শেরপুরে ‘ভূতের বাড়ি’র সন্ধান, রাত হলেই বিছানাসহ উল্টে যায় খাট!
শেরপুর একবিংশ শতাব্দির এ যুগে পৃথিবী যখন এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে, বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশের সাথে তাল মিলিয়ে সমান তালে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। প্রবেশ করেছে ডিজিটাল যুগে, যেখানে বিশ্ব মানুয়ের হাতের মুঠোয়। এই ডিজিটাল যুগে ভুতপ্রেত বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায়না। অথচ বর্তমান সময়ে এমন একটি ভৌতিক বাড়ীর সন্ধান মিলেছে বগুড়ার শেরপুরে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শেরপুর-নন্দীগ্রাম আঞ্চলিক সড়ক ধরে কিছুদুর এগিয়ে গেলে উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের বানিয়া গোন্দাইল গ্রাম। এই গ্রামের শুরুতেই রাস্তার ডান পাশে চোখে পড়ে টিনসেড একটি সেমি পাকা বাড়ি। বাড়িটির দরজা জানালা সম্প্রতি খুলে ফেলা হয়েছে। লোকমুখে এই বাড়িটি স্থানীয় লোকজনের কাছে ভুতের বাড়ি নামে পরিচিত।
ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ি এলাকার সিরাজ আকন্দ প্রায় ৬-৭ বছর আগে ৮ কক্ষ বিশিষ্ট এই বাড়িটি নির্মাণ করেন। বাড়িটি নির্মাণের পর থেকেই সিরাজ আকন্দ পরিবার নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করা শুরু করেন। কিন্তু ২-৩ দিন থাকার পর রাতে বিছানায় ঘুমাতে গেলে অদৃশ্যভাবে বিছানাসহ খাট উল্টে যায় এবং পানি ঝড়তে থাকে। এভাবে কয়দিন দেখার পর ভীত হয়ে তারা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করায় বর্তমানে এই বাড়িটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
বাড়িটির আশে পাশে বসবাসরত লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, বেশ কিছুদিন যাবৎ ওই বাড়ির ভিতর থেকে অদ্ভুদ কিছু শব্দ শুনা যায়, গভীর রাতে ওই পথ দিয়ে চলাচলরত লোকজন প্রায়ই বিভিন্ন পশু দেখতে পায় এবং তা মুহুর্তেই অদৃশ্য হয়ে যায়। এছাড়াও উক্ত বাড়ীর ভেতর এক ঘরের জিনিসপত্র অন্যঘরে কে বা কারা নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে অনেকেই বলেছেন। বর্তমান বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা বৃদ্ধ মোহাম্মদ আলী ও মো. সামছুল আলমসহ অনেকের সাথে কথা বললে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম হোসেন জানান, ‘ধুনটের গোসাইবাড়ী এলাকা থেকে এসে সিরাজ আকন্দ নামের এক ব্যাক্তি বাড়িটি নির্মাণ করার পর বসবাস শুরু করলেও তিনি কথিত ভুতের উপদ্রপে বাড়িটিতে থাকতে পারেননি। পরে সেখানে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা করলেও ছাত্ররা ভূতের উপদ্রবে থাকতে পারেনি। তাই এখন বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।’
এ ব্যাপারে বাড়ির মালিক সিরাজ আকন্দ বলেন, “ওখানে বাড়ি করে বসবাস করতে চেয়েছিলাম কিন্তু রাতের বেলায় মনে হয় খাট বিছানা উল্টে যায়। ভয়ে আমার পরিবার নিয়ে চলে এসেছি। পরে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা করেও তারা থাকতে পারেনি।”
ধর্ষণচেষ্টা ব্যার্থ হয়েই ৩ ফুটফুটে শিশুকে হত্যা করে যৌনদস্যুরা
পূর্বেই তার ফুফাতো ভাই আজুিল বাওনিয়াকে ডেকে নিয়ে আসে মোস্তফা। এরপর তারা শিশু দুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় শিশুরা চিৎকার করতে শুরু করে। আর চিৎকারের শব্দ যাতে বাইরে না যেতে পারে সে জন্য জোরে গান বাজায় মোস্তফা। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে তারা শ্বাসরোধে দুই শিশুকে হত্যা করে।
এদিকে রাজধানীর গেণ্ডারিয়া এলাকায় দুই বছরের শিশু আয়েশাকে খিচুড়ি খাওয়ানোর কথা বলে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় নাহিদ। পরে সে ৩তলা ভবনের জানালা দিয়ে শিশুটিকে ছুড়ে ফেলে হত্যা করে। নাহিদের মেয়ে বুশরা পুলিশকে সহযোগিতা করার কারণে হত্যা রহস্য বেরিয়ে এসেছে। পুলিশ গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে এই দুই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে।
মিন্টো রোডে পুলিশের গণমাধ্যম শাখায় এক সংবাদ সম্মেলনে ওয়ারী বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ প্রথমে ডেমরায় দুই শিশু হত্যার ঘটনা সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, ডেমরার কোনাপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে সোমবার বিকেলে নিখোঁজ হয় দোলা ও নুসরাত। তাদের খোঁজে এলাকায় মাইকিং করা হয়। রাতে কোনাপাড়ার শাহজালাল রোডের মোস্তফার ঘর থেকে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করে এলাকাবাসী। পরদিন মঙ্গলবার রাতে যাত্রাবাড়ীর ভাঙাপ্রেস ও ডেমরার মোল্লাব্রিজ এলাকা থেকে মোস্তফা ও আজিজুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ডিসি ফরিদ উদ্দিন জানান, লাশ উদ্ধারের পর তাঁরা ধারণা করেছিলেন, অত ছোট বাচ্চাদের মুক্তিপণের জন্য হয়তো নেওয়া হয়েছে। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে দুজন বলেছে, ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে তারা নুসরাত আর দোলাকে সোমবার দুপুরে বাসায় নিয়ে যায়। লিপস্টিক দিয়ে সাজিয়ে দেওয়ার নাম করে প্রথমে তাদের বাসায় ডেকে আনা হয়। এরপর আজিজুল ও মোস্তফা ইয়াবা সেবন করে উচ্চশব্দে গান ছাড়ে। পরে ধর্ষণের চেষ্টা করলে শিশুরা চিৎকার শুরু করে। একপর্যায়ে দোলাকে গলাটিপে হত্যা করে আজিজুল এবং নুসরাতকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মোস্তফা।
হত্যার পর আজিজুল পালিয়ে যায় আর মোস্তফা দুই শিশুর মরদেহ নিয়ে বাসায় থাকে। একপর্যায়ে খাটের নিচে মরদেহ রেখে দেয়। মোস্তফার স্ত্রী গার্মেন্টসকর্মী আঁখি সন্ধ্যার দিকে কারখানা থেকে বাসায় ফিরে স্বামীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখতে পান। মেঝেতে শিশুদের সেন্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।
ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘সন্ধ্যায় মোস্তফার স্ত্রী আঁখি বাসায় ফিরে স্বামীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখে সন্দিহান হয়ে ওঠেন। আঁখি প্রতিবেশীর বাসায় গেলে ওই ফাঁকে মোস্তফা বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ ওই বাসার খাটের নিচ থেকে মেয়ে দুটির লাশ উদ্ধার করে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গামছা এবং আরো কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়। মোস্তফা সিরামিকের কারখানায় ও আজিজুল একটি বেকারিতে কাজ করে বলে জানায়। ’
ডিসি বলেন, শিশুরা চিৎকার করলেও উচ্চশব্দে গান বাজানোর কারণে বাইরের কেউ শুনতে পায়নি। শিশু দুটি নার্সারিতে পড়ত। তাদের সাজিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘরে ডেকে নেয় মোস্তফা।
ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত কি না জানতে চাইলে ফরিদ উদ্দিন বলেন, মোস্তফা ফোন করে আগেই আজিজুলকে বাসায় ডেকে নেয়। তার মানে বোঝা যাচ্ছে এখানে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল। তারা একে অপরের মামাতো-ফুফাতো ভাই।
তিনি আরো জানান, পেশায় সিরামিক মিস্ত্রি মোস্তফার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় ডাকাতিচেষ্টার একটি মামলা রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর, আর আজিজুলের বাড়ি ফরিদপুরে। এ ঘটনায় প্রথমে মোস্তফার স্ত্রী আঁখি ও শ্যালককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে আয়েশাকে হত্যা করে নাহিদ গেণ্ডারিয়ার সাধনা ঔষধালয়ের পাশে দীননাথ সেন রোডের একটি বাসায় গত শনিবার শিশু আয়েশাকে খিচুড়ি খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় নাহিদ। পরে সে তিনতলার জানালা দিয়ে শিশুটিকে ছুড়ে ফেলে হত্যা করে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নাহিদের মেয়ে বুশরা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।
ডিসি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, শনিবার লাশ পাওয়ার পরদিন নিহত আয়েশার বাবা ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে ‘ধর্ষণের পর হত্যার’ অভিযোগ এনে প্রতিবেশী নাহিদকে আসামি করে গেণ্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার আসামি নাহিদকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে নিজ বাসার তৃতীয় তলার খোলা জানালা দিয়ে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এতে তার দুই পা ভেঙে যায়। নাহিদ এখন পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ফরিদ উদ্দিন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাহিদ জানিয়েছে, প্রতিবেশী শিশু আয়েশাকে খিচুড়ি খাওয়ানোর কথা বলে বাসায় ডেকে নেয় সে। পরে শিশুটিকে তিনতলা থেকে ফেলে হত্যা করে। তার থেকে এর বেশি কিছু জানা সম্ভব হয়নি, কারণ সে অনেক বেশি অসুস্থ। ’
ডিসি জানান, শিশু আয়েশা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে এগিয়ে আসে গ্রেপ্তারকৃত আসামি নাহিদের সপ্তম শ্রেণিতে পড়া মেয়ে বুশরা। গত মঙ্গলবার বাবার কুকর্মের কথা তুলে ধরে আদালতে জবানবন্দি দেয় সে। আদালতে বুশরা জানায়, শনিবার সন্ধ্যার দিকে বাসার বারান্দায় বসে ছিল সে। এ সময় বাবার শোবার কক্ষ থেকে শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পায় সে। এরপর সে বাবার কক্ষে যায়। দরজা খুলে দেখে, তার বাবা বিছানায় আর আয়েশা তার কোলে কাঁদছে। তখন নাহিদ বুশরাকে ধমক দিয়ে বলে, ‘এই তুই এখানে এসেছিস কেন?’ তখন বুশরা অন্য রুমে চলে যায়। এরপর নাহিদ আয়েশাকে তিনতলার খোলা জানালা দিয়ে ফেলে দেয়। ’
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, পাঁচ বছর আগে নাহিদের স্ত্রী মারা যায়। এরপর সে আর বিয়ে করেনি। ১২ বছরের মেয়েকে নিয়ে নাহিদ ওই বাসার তৃতীয় তলায় থাকে। আর গেণ্ডারিয়ার দীননাথ সেন রোডের একটি টিনশেড বাড়িতে বাবা-মা ও বোনদের সঙ্গে থাকত শিশু আয়েশা (২)। প্রতিদিন সকালে আয়েশার মা-বাবা কাজে চলে যেতেন। আর দিনের বিভিন্ন সময় গেণ্ডারিয়ার সাধনা ঔষধালয়ের সামনের গলিতে চারতলা ভবনের সামনে খেলা করত সে।
আপডেটঃ বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু
বগুড়া উত্তর ডটকম: বগুড়া শহরের মানিকচক এলাকায় সিএনজি চালিত অটো রিকশা ও ভটভটির মুখোমুখি সংঘর্ষে পিতা-পুত্রসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরো ২ জন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়।
নিহতরা হলেন, বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া গ্রামের সামিউল আলম (৪২), তার ৫ বছর বয়সী শিশু পুত্র ইব্রাহিম হোসেন, সদর উপজেলার কর্ণপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে সাবেদ আলী (৪৮) এবং অজ্ঞাতনামা এক যুবক(২৭)। নিহত সকলেই দুর্ঘটনা কবলিত সিএনজি চালিত অটো টেম্পোর যাত্রী।
বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি পুলিশ ফাড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, কাঠের গুড়ি বোঝাই ভটভটি বাইপাস সড়ক দিয়ে মাটিডালীর দিকে যাচ্ছিল। মানিকচক বাজারের অদূরে বিপরীত মুখি সিএনজি চালিত অটো টেম্পোর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
Wednesday, January 9, 2019
বগুড়ায় ভটভটি ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মৃত্যু ১ আহত ১
“ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন” এবং আহতদের শজিমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুইজনের মৃত্যু হয় বলে যানা যায়! তাদের কারোও পরিচয় জানা যায়নি। মানিচক তালতলা বাইপাসে অবৈধ বালু রাখাছিল, সেখান হতে বালুর ট্রাক উঠতেছিল, বালুর ট্রাক ভটভটিকে ধাক্কা দেয় তার পর সি,এন,জি এসে ধাক্কা খাইছে!
৩০শে জানুয়ারি নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন
ধুনট পৌর এলাকার ইজতেমা বৃহস্পতিবার থেকে শুরু
ইজতেমার সূরা সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ইজতেমা ময়দানে তিনদিন ব্যাপি দেশ ও বিদেশের ওলামায়ে একরামগণ কোরআন ও হাদিসের আলোকে আল্লাহ্র ইবাদত বন্দেগী, নবী রাসুলের তরিকা ও সুন্নত সহ ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বয়ান করবেন।
ইজতেমা আয়োজক কমিটির সদস্য পৌর মেয়র এজিএম বাদশাহ্ জানান, ইজতেমায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে চাঁদ, জর্ডান, তিউনিশিয়া সহ আরো কয়েকটি দেশের বিদেশী মুসল্লিগন এবং দেশের বিভিন্ন এলাকার মুসল্লিগণ জামাত বন্দি হয়ে অংশ নিচ্ছেন। ইজতেমায় বিদেশী মুসল্লিগণ এবং মহিলাদের জন্য পৃথক থাকার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। শনিবার ফজরের নামাজ আদায়ের পর আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমার সমাপ্তি ঘটবে।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর সার্কেল) গাজিউর রহমান বলেন, ইজতেমা প্রাঙ্গনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
Female ভার্জিনিটি vs bleeding !!
Female ভার্জিনিটি vs bleeding !!
....মন দিয়ে পরবেন সবাই!
রা! জানা খুব দরকার আপনার নিজের প্রয়োজনে!
.....
একটা রিসার্চ ফার্মে কাজ করতে গিয়ে ৫০ জন
মহিলার সাথে প্রায় ই আমার দেখা হতো !
সাভারের একটা গ্রামে তারা থাকেন,
একটা ছোটো সংগঠনে তারা কাজ করেন,
তাদের কেউ মানুষের বাসায় কাজ করেন,
কেউ গার্মেন্টস এ কাজ করেন,
কারো চায়ের টং দোকানে বসেন,
কেউ কেউ কৃষি কাজ করেন!
একদিন দেখলাম একজন মহিলা খুব কান্নাকাটি করছেন
এবং উনার হাসবেন্ড উনাকে অনেক মারধর
করেছে এবং ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে!
আমি জিজ্ঞেস করলাম কেনো ডিভোর্স
দিয়েছে,
তখন ওই আন্টি বললেন তার হাসবেন্ড ১ বছর ধরে
তাকে কথায় কথায় গালাগালি করে, মারধর করে এবং তার
চরিত্র নিয়ে কথা বলে
কারন প্রথমবার intercourse এর সময় ওই মহিলার ব্লিডিং
হয়নি
এবং এর পরে কখন ই না!
এরপর বাকিরা একে একে মুখ খুললো,
আমি তাদের মেয়ের বয়সী, তারা খুব লজ্জা
পাচ্ছিলেন,
আমি অনেক কস্টে তাদের easy করলাম!
তারপর যা শুনলাম সেটা পাব্লিকলি বলার মতো না !
এটা আমাদের ভদ্র সমাজের খুব পরিচিত একটা
কুসংস্কার,
ব্লিডিং না হলে মনে করা হয় মেয়েটা ভার্জিন না,
চরিত্র ভালোনা!
Well,
একটু যদি scientifically চিন্তা করি তাহলে কিন্তু সব
পানির মত পরিস্কার!
১. ব্লিডিং হবে কি হবে না এটা নির্ভর করে HYMEN
নামক একটা membrane এর উপর
২.এই membrane টা vaginal opening কে cover
করে রাখে
৩.কিন্তু কতটুকু cover করে রাখবে এটা নির্ভর
করে এক্টা female person এর বয়স, উচ্চতা, ওজন
এবং শরীরের অনেক ফিচারের উপর
৪.Hymen যদি thin হয়, ব্লিডিং না হবার সম্ভাবনা অনেক
বেশি,আর thick হলে ব্লিডিং হতে পারে
৫. অনেক female এর জন্মগত ভাবেই hymen
থাকে না, so bleeding না হওয়াটাই স্বাভাবিক
৬. যেসব মেয়েরা cycling করে, exercise করে,
জিমে যায়, অথবা skipping করে, jumping করে
তাদের ওই
Hymen নামক পর্দা ভেঙে যায়, so bleeding হওয়ার
পসিবিলিটি নাই!
৭.British Medical Journal এর একটা রিসার্চে বললা
হয়েছে " worldwide ৬৩% মেয়েদের first time
sexual relation এ bleeding হয়না, এবং the one &
only reason is HYMEN MEMBRANE
৮.আরো একটা রিসার্চে বলা হয়েছে, বয়স যত
বাড়বে, যাদের মেমব্রেন আছে, সেটা আরো
thin হতে থাকে এবং একটা সময় পর্দাটা ফেটে
যাবে, তাহলে কিভাবে ব্লিডিং হবে যদি membrane এ
না থাকে? frown emoticon:(
৯.তার মানে দাঁড়ায় একটা ১৫-১৬ বছরের মেয়ের
ফার্স্ট টাইম intercourse এর সময় ব্লিডিং হওয়ার সম্ভাবনা
যত বেশি, একটা ২৫-২৬ বছরের মেয়ের ব্লিডিং
হওয়ার সমম্ভাবনা ততটাই কম!
...
....
যতই বলি আমরা এগিয়ে যাচ্ছি,আমাদের মেন্টালিটি
কিন্তু এখনো অনেক নিচে।
আর দোষ দিবো কাকে?
আমাদের education system টাই অনেক বেশি ত্রুটি
পুর্ন!
sex education নিয়ে কোথাও পড়ানো হয় না,
সিলেবাসে এইসব টপিক তো নাই ই,
বরং যে এক দুইটা চ্যাপ্টার আছে menstruation and
adolescence নিয়ে, ওইগুলো ও ঠিক মতো
পড়ানো হয় না!
আমি জানি এই পোস্ট টা আপডেট করার পর
কিছু নোংরা মানুষ যা ইচ্ছা
Comment এ লিখবে কিন্তু আমার কিছু আসে যায় না!
....
.....শুধু গ্রামের মানুষ এরকম না, অনেক শিক্ষিত মানুষ
ও এমন,
তাদের কাছে ভার্জিনিটি মানেই bleeding!
বুঝাবার মতো কেউ নেই,
বলার মত কিছু নেই।।।
কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে আসুন। সুখী থাকুন!
#Collected





