Monday, January 28, 2019

বগুড়ায় পুলিশ সেবা সপ্তাহ-১৯ শুরু

বগুড়া উত্তর ডটকম: বগুড়ায় পুলিশ সেবা সপ্তাহ-২০১৯ পালন করা হয়েছে।  সোমবার সকাল ১০ টায়  বেলুন  উড়িয়ে পুলিশ সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন করেন বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা।  উদ্বোধন শেষে পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে শহীদ খোকন পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।






শোভাযাত্রায় জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা, গোয়েন্দা বিভাগ ও ট্রাফিক পুলিশের প্রায়  ৪ শতাধিক পুলিশ সদস্য অংশ নেয়। পাশাপাশি জেলা মোটর শ্রমিকের নেতাকর্মীরাও শোভাযাত্রায় যোগদান করেন। এবারের পুলিশ সপ্তাহ রবিবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে আগামী ২ ফেব্রুয়ারী-২০১৯ পর্যন্ত চলবে। 


‘পুলিশকে সহায়তা করুন, পুলিশের সেবা গ্রহণ করুন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শোভাযাত্রায় এসময় জনসাধারণের কাছে পুলিশের নানামুখি সেবা সমূহ উপস্থাপন করা হয়। সেবা সমূহের মাঝে প্ল্যাকার্ডে উল্লেখযোগ্য ছিল- জনতার পুলিশ, আপনার থানা, আসতে যেতে নেইকো মানা, পুলিশ জনতা সবাই মিলে সমাজ গড়ি তিলে তিলে, টিপলে ফোনে তিনটি ৯৯৯ এসে হাজির হয়, থানার জিডির মাধ্যমে সেবা প্রদান, আইন মেনে চলুন, 

নিরাপদ দেশ গড়ে তুলুন, ট্রাফিক আইন মেনে চলুন, দূর্ঘটনা প্রতিরোধ করুন, মাদককে না বলুন, যৌতুক দিবেন না, যৌতুক নিবেন না, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করুন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করুন,যে কোন জরুরী অবস্থায় ৯৯৯ (টোল ফ্রি) এ ডায়াল করুন, জঙ্গী কর্মকান্ডে প্রতিরোধে পুলিশকে সহায়তা করুন ইত্যাদি। এছাড়াও জনসাধারণের জন্য পুলিশের বিভিন্ন কাজ নিয়ে  লিফলেট বিতরণ করা হয়। 

subscribe করুন : http://bit.do/eGTMs

ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহের মেলা ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

বগুড়া উত্তর ডটকম: ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মাছের মেলা: লোভনীয় বড় বড় মাছের এক বিশাল প্রদর্শনীমাছের মেলা! নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে বড় বড় মাছের কাল্পনিক সব সংগ্রহ। এ কল্পনাকে বাস্তবে নিয়ে আসে প্রতি বছরের শীতের শেষে অনুষ্ঠিত বগুড়ার পোড়াদহের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা।



ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহের মেলা ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

এ যেন কেবল একটি মেলা নয় বরং তার চেয়েও বেশী কিছু। নামে মাছের মেলা হলেও কী নেই এতে! বড় বড় আর লোভনীয় মাছের বিশাল সংগ্রহ, প্রদর্শনী আর বিকিকিনি, সংসারের যাবতীয় প্রয়োজনীয় উপকরণ, বিনোদনের জন্য সার্কাস, নাগরদোলা, পালাগান ইত্যাদি। কিন্ত এ সবকিছু ছাপিয়ে যায় যখন এ মেলা লক্ষ মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এ লেখায় রইল এ মেলারই আদ্যপান্ত।





স্থান:
পোড়াদহ বটতলা, গোলাবাড়ী, মহিষাবান, গাবতলি, বগুড়া।সময়কাল ও ব্যাপ্তি:প্রতি বঙ্গাব্দের মাঘ মাসের শেষ তিন দিনের মধ্যে আগত বুধবার অথবা ফাল্গুন মাসের প্রথম বুধবার। তবে এই বুধবারের আগের ০৩ দিনের সাথে পরের ০২ দিন পর্যন্ত এ মেলা চলতে থাকে। উল্লেখ্য যে মেলার প্রধান দিন, বুধবারের পরদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বসে বৌমেলা। এদিন কেবল বিভিন্ন গ্রামের নববধূরা এবং স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসা কন্যারা তাদের স্বামীদের সাথে মেলায় আসেন।

প্রকৃতি ও বিবরণ:
মেলার অন্যতম আকর্ষণ বিভিন্ন প্রজাতির বৃহদাকৃতির মাছ। নানা প্রজাতির বড় বড় মাছ এখানে পাওয়া যায়; বিশেষ করে নদীর বড় বড় বাঘাইর, আইড়, বোয়াল, কাতলা, পাঙ্গাস, সামুদ্রিক টুনা, ম্যাকরেল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেচা-কেনা হয়। তবে চাষকৃত বিভিন্ন ছোট বড় আকারের মাছও পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। 

মেলা চলাকালে একসাথে প্রচুর বড় ও জীবিত মাছ পাওয়া যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানকালে জানা যায়, এ এলাকার অনেক মৎস্যচাষী কেবল মেলায় অধিক লাভে বড় মাছ বিক্রয়ের জন্য মাছ বড় করেন। তাছাড়া মেলায় বিক্রয়ের জন্য বেশ আগে থেকেই নদীতে ধৃত বাঘাইর, আইড় ইত্যাদি মাছ স্থানীয় পুকুরগুলিতে বা অন্য জলাশয়ে হাপা করে বা বেঁধে রাখা হয়। আবার মেলা চলাকালে পার্শ্ববর্তী গোলাবাড়ী আড়তে আসা মাছবাহী গাড়ীগুলি সরাসরি মেলাতেই চলে আসে, মেলা থেকেই বাইরের বিক্রেতারা মাছ সংগ্রহ করেন। 

মেলার সময় অতিথি ও ঝি-জামাই আপ্যায়নের জন্য বড় মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকায় গাবতলীর অন্যান্য বাজারেও দেখা যায় বড় বড় মাছে একাকার। এছাড়াও কাঠের আসবাবপত্র, বাঁশ ও বেতের সামগ্রী, লৌহজাত দ্রব্যাদি, ফলমূল, নানা ধরণের মিষ্টি ও মিষ্টিজাত দ্রব্য এবং প্রচুর চুন মেলায় পাওয়া যায়। তাছাড়া মেলা উপলক্ষে বিনোদনের জন্য সার্কাস, নাগরদোলা ও পালাগানের আয়োজন করা হয়। মেলাকে কেন্দ্র করে আশপাশের গ্রামগঞ্জের সবাই তাদের জামাই-ঝিকে নিমন্ত্রণ করেন ও বড় আকৃতির মাছ দ্বারা আপ্যায়ন করেন। কৃষকেরা প্রয়োজনীয় ঘরোয়া সামগ্রী ছাড়াও সারা বছরের পান খাওয়ার চুন পর্যন্ত মেলা থেকে সংগ্রহ করেন।


ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহের মেলা ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯


ঐতিহাসিক পটভূমি:
মেলা শুরুর সঠিক দিন ক্ষণ জানা যায় না। তবে একাধিক সূত্র হতে জানা যায়, প্রায় চার শত বছর পূর্বে পোড়াদহ সংলগ্ন মরা বাঙালী (মতান্তরে মহিষাবান নদী) নদীতে প্রতি বছর মাঘের শেষ বুধবারে অলৌকিকভাবে বড় একটি কাতলা মাছ (মতান্তরে অজ্ঞাত মাছ) সোনার চালুনি পিঠে নিয়ে ভেসে উঠত। মাঘের শেষ বুধবারের এ অলৌকিক ঘটনা দেখার জন্য প্রচুর লোকজন জড়ো হত। পরে স্থানীয় একজন সন্ন্যাসী স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে অলৌকিক এ মাছের উদ্দেশ্যে অর্ঘ্য নিবেদনের জন্য সবাইকে উদ্বুদ্ধ করেন। সন্ন্যাসীর আহবানে সাড়া দিয়ে পোড়াদহ বটতলায় মাঘের শেষ বুধবারে অলৌকিক মাছের উদ্দেশ্যে স্থানীয় লোকজন অর্ঘ্য নিবেদন শুরু করেন। 

কালক্রমে এটি সন্ন্যাসী পূজা নাম পরিগ্রহ করে। পূজা উপলক্ষে লোক সমাগম বাড়তে থাকে ও বৃহদাকৃতির মাছ ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য মেলাটি প্রসিদ্ধ হয়ে ওঠে।তবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে দেখা যায়, পোড়াদহ মেলার এ স্থানটি একটি প্লাবনভূমি এবং ভৌগোলিকভাবে এটি নদী, খাল ও বিলের মোহনা অঞ্চলে অবস্থিত। 

এখান থেকে বেশ নিকটেই আছে রানীরপাড়া মৌজাধীন কাতলাহার বিল ও ঢিলেগারা বিলসহ পোড়াদহ খাল ও মরা বাঙালী (মহিষাবান) নদী। ফলে অতীতে এটি যে যমুনার সাথে খুব ভালভাবে সংযুক্ত ছিল তা সহজে অনুমেয়। বর্ষাকালে বিভিন্ন নদীপথে আগত প্রচুর মাছ এখানে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। জলবায়ুগত পরিবর্তনে মাঘের শেষে এখানকার পানি প্রায় শুকিয়ে আসায় তখন এখানে থেকে যাওয়া কোন বড় কাতলা মাছের বৃত্তাকার আঁইশ সোনার চালুনির মত মনে হতে পারে। কেননা দেশী বড় কাতলা মাছের আঁইশ বেশ সোনালি বর্ণ ধারণ করে, অল্প পানিতে সাঁতরানো অবস্থায় রোদের ঝিলিকে তা কোন ধ্যানমগ্ন সন্ন্যাসীর কাছে আরো আকর্ষণীয় স্বর্ণের চালুনির মত মনে হতেই পারে।

সড়ক যোগাযোগের পথ: ঢাকা (A) থেকে বগুড়া (B) পর্যন্ত ২০২ কিমি এবং বগুড়া (B) থেকে চেলোপাড়ার ফতেহ আলী ব্রিজ (C) হয়ে চন্দনবাইসা রোড ধরে গোলাবাড়ি বাজারের পর পরেই মেলাস্থল পোড়াদহ (D) পর্যন্ত ১২.৭ কিমি।

ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহের মেলা ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯


যোগাযোগের ব্যবস্থা:
বগুড়া হতে সরাসরি বাসে অথবা অটোরিক্সায় পোড়াদহ আসা যায়। মেলা চলার সময় বগুড়া হতে বাসে বা অটোরিক্সায় প্রথমে গোলাবাড়ি পর্যন্ত এসে পুনরায় অন্য অটোরিক্সা বা রিক্সাযোগে পোড়াদহ মেলা স্থলে আসা যাবে।

ঢাকা থেকে ভাল মানের বাসে সাড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টায় বগুড়ায় আসা যায়। যাদের হাতে সময় কম তারা রাতের শেষ বাসে রওনা দিয়ে ভোরে বগুড়ায় পৌঁছে বাস বদল করে সকাল সকাল মেলা স্থলে পৌঁছে যেতে পারবেন এবং দিন শেষ বগুড়া ফিরে ঐ রাতেই ঢাকায় ফিরতে পারেন। তবে হাতে সময় নিয়ে আসলে মাছের মেলার পাশাপাশি দেখে যেতে পারবেন বাংলার প্রাচীন নগরী পুণ্ড্রবর্ধন যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।

 গুরুত্ব:
ঐতিহ্যবাহী এ মেলা সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও মতের মানুষের এক মহামিলন কেন্দ্র। এটি হাজারো কাজের ব্যস্ততায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া লক্ষ মানুষের বছরে অন্তত একটি বারের জন্য হলেও একত্রিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।
অর্থনৈতিকভাবেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতি বছর এ মেলায় কোটি টাকার বেশী লেনদেন হয় এবং লেনদেনের একটা বড় অংশ উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত গামী হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও অনেক বেশী হয়ে দেখা দেয়।

Sunday, January 27, 2019

গ্রামের পাতা খেলা দেখুন Gramer Patha Khela Dekhun Village Tradition Game 2019

গ্রামের পাতা খেলা দেখুন Gramer Patha Khela Dekhun Village Tradition Game 2019



সারিয়াকান্দির হাসনাপাড়ায় পিসি দোকানে আগুন

বগুড়া উত্তর ডটকম: (রাহেনূর ইসলাম স্বাধীন) : বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার হাসনাপাড়া বাজারে একটি কম্পিউটার সর্ভিসিং দোকানে আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। 


রবিবার ভোরে হাসনাপাড়া বাজারের পঙ্কজের কম্পিউটার সার্ভিসিং এবং মোবাইল সার্ভিসিং দোকানে এঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে এলাকাবাসী ধারনা করছেন যে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত।
এদিকে এঘটনায় প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে দাবী করেছেন দোকানের পরিচালক পঙ্কজ মিয়া।

বগুড়ার মহাস্থান দই-মিষ্টি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ১৫টি দোকান পুড়ে ছাই প্রায় ৮০/৯০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

বগুড়া উত্তর ডটকম: (এস আই সুমন) : বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান দই- মিষ্টি ও বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় ১৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকা অনুমান করলেও এলাকাবাসীরা অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছেন।



স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, শনিবার ভোর ৫টায় মহাস্থান মাছ বাজারের পাশে দই মিষ্টির দোকানের একটি চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এরপর আগুন মুহুর্তই পুরো মার্কেটে ছড়িয়ে যায়, ক্ষতিগ্রস্থ্য ব্যবসায়ীরা হলো মীর আলম, আমিনুর ইসলাম, মিষ্টার, ফারুক, আনিছার। 

পরে স্থানীয়রা শিবগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। খবর পেয়ে প্রথমে শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এসময় তাদের রিজার্ভকৃত পানি ফুরিয়ে গেলে তারা বগুড়া সদর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। এরপর বগুড়া সদর ফায়ার সার্ভিস ও শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট মহাসড়কের পাশে একটি ডোবা থেকে তাদের সরঞ্জাম দিয়ে পানি উত্তোলণ করে। তারা প্রায় দেড় ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়। 

এবিষয়ে শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হামিদ জানান, রাত সাড়ে ৫টায় সংবাদ পেয়ে আমাদের ইউনিট আগুন নিভাতে আসে। কিন্তু আমাদের মজুদ পানি শেষ হলে আগুন নিভাতে হিমশিম খেতে হয়। বগুড়ার ফায়ার সার্ভিসের অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার হোসাইন জানান, আগুন পুরো মার্কেটে লাগার কারণে অনেক দুর থেকে পানির সংযোগ দিয়ে আগুন নিভাতে হয়েছে। তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন, মহাস্থান একটি ঐতিহাসিক এলাকা। 

এখানে অনেক দোকানপাট ও বসতবাড়ি রয়েছে। অতচ এখানে নিরাপত্তার স্বার্থে আগুন নিয়ন্ত্রণের পানি রিজার্ভের কোন ব্যবস্থা করা হয়নি। তিনি মহাস্থান হাট ইজারাদার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা রক্ষার্থে পানি বোরিং রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। 

এদিকে নিজেদের একমাত্র রুজির পথ শেষ পুঁজি হারিয়ে ব্যবসায়ীদের মাটিতে লুটিয় আহাজারি করতে দেখা গেছে। অনেকেই এখন সরকারি অনুদান আশা করছেন। অগ্নিকান্ডের কারণে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে প্রায় ১ঘন্টা সকল যানচলাচল বন্ধ ছিল। এলাকাবাসীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

বগুড়ায় শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান ৩ অপহরণকারী গ্রেপ্তার

বগুড়া উত্তর ডটকম : বগুড়ায় ৪ ঘন্টা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে ৩ অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে বগুড়া সদর থানা পুলিশ। এসময় ভিকটিমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।



গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১। শহরের রহমান নগর এলাকার বর্তমান সাং-খান্দার নতুনপাড়া (চাপড় পাড়া) এলাকার আবুল কালাম এর ছেলে রেজাউল ইসলাম ওরফে রিয়াদ (২৪) ২। মালগ্রাম দক্ষিনপাড়া এলাকার চিহিৃত সন্ত্রাসী ওয়াহেদ ফারুকী ওরফে মেঘ (১৯) ৩। একই এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে সজিব (২৫)। অভিযান কালে অপর আসামী খান্দার চারতলা এলাকার সামাদ হোসেন এর ছেলে সোহেল রানা (২৬) পালিয়ে যায়।  

থানা সূত্রে জানা যায়, নন্দীগ্রাম থানার দামরুল এলাকার রফিকুল ইসলাম এর ছেলে সাকিবুল ইসলাম (২০) শনিবার প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বিআইআইটি কলেজে তার সেউজগাড়ীস্থ মেস হতে রিক্সা যোগে যায়। পরীক্ষা শেষ করে মেসে ফেরার পথে দুপুর ১.৩০ টার সময় খান্দার তিন রাস্তার মোড়ে পৌঁছা মাত্র অপহরণকারীরা তার পথরোধ করে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ওই অপহরণকারীরা সাকিবুলের মুক্তিপনের জন্য মোবাইল ফোনে ১ লক্ষ টাকা তার পরিবারের কাছে দাবি করে। ছেলের জীবন বাঁচাতে তারা বিকাশে ৩০ হাজার টাকা অপহরণকারীকে দেয়।

এঘটনায় সাকিবুলের পিতা রফিকুল ইসলাম বিষয়টি সদর থানার ওসিকে জানালে এস.আই সোহেল সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স তাৎক্ষনিক অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিমকে উদ্ধার করে ও অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করে। এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানার ওসি এস. এম বদিউজ্জামান সাংবাদিকদের জানান অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

Saturday, January 26, 2019

সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তার ছোট ছেলে নিহত, বড় ছেলে আহত

বগুড়া উত্তর ডটকম: সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় বগুড়ার সোনাতলা শাখা সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা তারাজুল ইসলামের ছোট ছেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র জুলহাস জিম (২৩) নিহত ও বড় ছেলে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ছাত্র জাকারিয়া আহত হয়েছে। 




ঘটনাটি বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটেছে। ওইদিন জিম ও জাকারিয়া দুই ভাই মোটর সাইকেল যোগে ঢাকা থেকে বগুড়ার সোনাতলায় নিজ বাড়িতে আসার পথে সিরাজগঞ্জের ঝাউল নামক স্থানে মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যানের সাথে ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ছোট ভাই জুলহাস জিম নিহত ও বড় ভাই জাকারিয়া আহত হয়। 

শুক্রবার বাদ জুমা সোনাতলা উপজেলার উত্তর করমজা গ্রামে নিহত জুলহাস জিমের নামাজের জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন অনুষ্ঠিত হয়। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে পড়ে।

Thursday, January 24, 2019

চুরি বা হারানো মোবাইল ফোন আর কেউ ব্যবহার করতে পারবে না

আপনার মোবাইল ফোন কি চুরি হয়ে গেছে? বা হারিয়ে গেছে? এই ফোনকে কি আপনি ব্যবহারের অনুপযোগী করতে চান?তাহলে আগামী কয়েকমাসের মধ্যে এমন সুখবর পেতে যাচ্ছেন আপনি। 



বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্র বলছে, এবার থেকে চুরি হয়ে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনকে আপনি লক করে ফেলতে পারবেন। ২২ জানুয়ারি থেকে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপম্যান্ট আইডেন্টি (আইএমইআই) নম্বর ডাটাবেস সেবা চালু হচ্ছে। 

আইএমইআই ডাটাবেসের মধ্যে ব্যবহারকারীর মোবাইল ফোনের নম্বর, সিম কার্ডের নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যাদি সংরক্ষণ করে রাখা হবে। ফলে, কোনো মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ওই ফোনটিকে লক করে দেয়া যাবে। 

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার হার কমে আসবে।আপনার মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন, সেটি ডাটাবেসে সংরক্ষিত হয়েছে কিনা।